বাদী আব্দুল হামিদ চৌধুরী মামলায় উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই তিনি ও তার বন্ধু সুহেল আহমদ (২১) সিলেটের বিয়ানীবাজার থেকে নারায়ণগঞ্জের চিটাগাংরোড এলাকায় টাইলসের কাজ করতে আসেন। তারা ‘সুপিরিয়র ইন্টারন্যাশনাল’ নামের প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করেন এবং প্রিয়ম নিবাস (ইব্রাহীম খলিল শপিং কমপ্লেক্স)-এর ২য় তলায় ডাচ বাংলা ব্যাংক শাখায় কাজ করতেন। সারাদেশে ১৮ জুলাই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন তীব্র হলে সেখানেই অবস্থান করছিলেন।
২০ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটির কাজ বন্ধ রেখে সেখানে অবস্থান নেওয়া কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগে বলা হয়, সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে এবং সাবেক এমপি শামীম ওসমানের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের কোটা বিরোধী অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জন দুষ্কৃতকারী ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় হামিদ ও সুহেল ধোয়ার কারণে কিছু দেখতে না পেয়ে ছুটাছুটি করতে থাকে। এক পর্যায়ে হামিদ আগুন থেকে বাঁচার জন্য দুই তলা থেকে লাফ দিয়ে আহত হয়। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
